হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) কি? প্রতিকার-লক্ষণ

আপনার বুকে ব্যাথা? বুঝতে পারছেন না? তাহলে কি ???? হার্ট অ্যাটাক! না, এটা ভাবার কারণ নেই। হার্টের বা হৃদযন্ত্রের সমস্যা কি না, কি ভাবে বুঝবেন? চলুন নিম্ন লিখিত কারণ গুলি বোঝার চেষ্টা করা যাক।
asopinions.blogspot.com


হার্টের বা হৃদযন্ত্রের সমস্যা কি ভাবে বুঝবেন?


হার্ট অ্যাটাকের অনেক কারণ আছে, তার মধ্যে মুলতঃ তিন টি বিষয়ের দিকে খুবই সতর্ক থাকা দরকার।
১/ বুকে অসয্য ব্যাথা অনুভূতি হবে। মনে হবে, বুক চেপে ধরছে, দম বন্ধ হয়ে আসছে, তার সঙ্গে মনে হবে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘাম হবে, বমি হবে।
২/ অসহ্য ব্যাথা বুকে আনেক টা জায়গা জুড়ে হবে। ব্যাথা একটি নির্দিষ্ট জায়গা জুড়ে হবে না।
৩/ এই বাথ্যা টা ছড়িয়ে সারা শরীরে, বিশেষ করে- বাঁ হাতের দিকে। এটা পরিশ্রম করলে বাড়বে। বিস্রম নিলে কিছুটা কমবে। তবে বিস্রম নিলে নাও কমতে পারে।

     অনেক সময় বুকের ব্যাথা টা আমরা অম্বল বাঁ অ্যাসিডিটি ভেবে অ্যানটাসিড খেয়ে ব্যাথা কমানোর চেষ্টা করে থাকি কিন্তু কোন কাজ হয় না কারণ ওটা হার্টের ব্যাথা। আমাদের প্রধান দুটি ধমনি রয়েছে ( একটি হল ম্যাসিভ পাল্মনারি আম্বুলিজম ও অপর টি হল অ্যাওয়াটা ), যাতে রক্ত চলাচল বিঘ্নিত হলে খুব যন্ত্রণা বা শ্বাস কষ্ট হতে পারে। এছাড়া ফুসফুসে নিউমোথোরাস ফলে প্রচণ্ড বুকে ব্যাথা অনুভূতি হতে পারে।

যাদের হার্টের ব্যাথার সঙ্গে ডায়াবেটিস আছে তাদের বয়স একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যে, যদি হার্টের ব্যাথা সচারাচার আদ্ভুত ভাবে তাঁরা বুঝতে পারেনা। যে এই ব্যাথায় তাঁরা আক্রন্ত হচ্ছে। তাই তাদের নিয়মিত সজাগ এবং সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে নিয়মিত ডাক্তার বাবুর পরামর্শে থাকতে হবে।

হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে করনীয় কি?


একজন রোগীর হার্ট অ্যাটাক হলে খুব দ্রুত কিছু ব্যবস্থা নিলে ঘটনার ভয়াবহতা কমিয়ে আনা সম্ভব। এ ব্যাপারগুলো সম্পর্কে সকলের ধারণা থাকা আবশ্যক)।

১/ প্রথমেই ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে (অ্যাসপিরিন জাতীয়) অবশ্য ডাক্তারি পরামর্শয় মতো।
২/ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে।
৩/ রোগীর শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে কিনা খেয়াল করতে হবে।
৪/ রোগী কোথাও ভ্রমণে গেলে সাথে প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বলিত চিরকুট রাখতে হবে।
৫/ হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে সিপিআর পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে।

যে বিষয়গুলো হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত রোগীকে এড়াতে হবে বা সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে!


১/ মোটেই চুপচাপ ব্যথা সহ্য করা যাবে না।
২/ রোগীর অস্বাভাবিকতায় বেশি উত্তেজিত হওয়া ঠিক নয়।
৩/ ওষুধপত্র উঁচু জায়গা এবং ড্রয়ারে রাখা উচিত নয়।
৪/ নির্ধারিত ওষুধের বাইরের ওষুধ সেবনের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
৫/ মাত্রারিক্ত শব্দ (গান বাজনা) থেকে দূরে থাকতে হবে।
৬/ দুর্বল হৃৎপিণ্ডের মানুষদের কঠিন শারীরিক শ্রম পরিহার করা উচিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ