আমরা (asopinions.blogspot.com) আমাদের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রায় চিন্তাতে পড়তে থাকি। তার ছাইতে বেশী চিন্তার বিষয় হল যে আমাদের শরীর ভারি হয়ে যাওয়া এবং তার থেকে বিভিন্ন রোগের মূল গাছ। তাই আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া, বা ডাক্তার বাবুদের কাছে থেকে এখন যেনেগেছি। তাই আমাদের শরীরে একটু মেদ যমলে আমরা ভয় পাই, প্রায়ই চিন্তার মধ্যে পড়ি। এমনকি খাওয়া দাওয়া ত্যাগ করি। তাই আজ আমরা আপনাদের কাছে কিছু অসাধারন স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে এসেছি। আমাদের বিশ্বাস এইসব টিপস গুলি মেনে চললে আপনি ভালো ফল পাবেন।
তারপর সীট আপ-ডাউন প্রথমে ১০ বার তারপর দিন ১৫ বার, তারপর দিন ২০ বার এই ভাবে যতটা সম্ভাব বাড়াতে পারতে অবশ্য আপনার শরীরের মেদ কমবে।
এছাড়া আপনার হাতে যদি সময় থাকে তাহলে আরও আনেক ব্যায়াম আছে যেগুলি দ্বারা আপনার শরীরের মেদ কমাতে পারেন। তার জন্য এখানে <<Click>> করুন।
সুগারি ফুড
সুগারি ফুড আমাদের সুগার বা চিনি বা মিষ্টি জাতীও খাবারের মাত্রা কমাতে হবে। যেমন- আইস্ক্রিম, চকলেট, চায়ের সঙ্গে মিষ্টি ইত্যাদি।| দ্রুত মেদ কমানোর সহজ উপায় |
কার্বোহাইড্রেড
কার্বোহাইড্রেড- এটি আমাদের শরীরের জন্য খুবই জরুরী কিন্তু মাত্রারিক্ত খাওয়ার (যেমন- জাতীও রুটি, চাল) আভ্যাস কমাতে হবে। তা না হলে, আমাদের শরীরে যেটুকু কার্বোহাইড্রেডের প্রয়োজন আছে সেটুকু নিয়ে নিবে এবং বাকিটা ফ্যাট বা চর্বিতে রূপান্তির হয়ে যাবে। যার ফলে আমাদের শরীরে চর্বি বা ফ্যাট বেড়ে যাবে। তাই কার্বোহাইড্রেড জাতীও খাবার আমাদের খেতে হবে অবশ্যই কিন্তু যেগুলিতে ফ্যাটের মাত্রা বেশী আছে সেগুলি খাওয়ার কমাতে হবে এবং যে খাদ্যে কার্বোহাইড্রেডের মাত্রা বেশী এবং ফ্যাটের মাত্রা কম সেগুলি বেশী বেশী খেতে হবে। যার দ্বারা আমাদের মারসেল গঠনে সাহায্য করবে কিন্তু ফ্যাটের মাত্রা বাড়াবে না।
| দ্রুত মেদ কমানোর সহজ উপায় |
প্রোটিন
প্রোটিন আমাদের ফ্যাট কামাতে গিয়ে আবার শরীর দুর্বল হয়ে গেলে সেটি খুবই সমস্যা তাই যে খাদ্যে ফ্যাট কম এনং প্রোটিন বেশী সেই খাদ্য খেতে হবে। যেমন-
১/ ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এটি দিনে দুটি করে খেতে পারেন।
২/ চিকেন ব্রেস্ট- এই চিকেন ব্রেস্টে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এটি সপ্তাহে তিন দিন খেতে পারেন।
৩/ সয়াবিন - এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এটি প্রতি দিন খেতে পারেন।
৪/ দুধে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যা প্রতিদিন খেতে পারেন।
৫/ মাছের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যা প্রতিদিন খেতে পারেন।
৬/ হয়ে প্রোটিন (Whey Protein)- যদি আপনি জিম করেন তাহলে আপনার জন্য Whey Protein এর বিকল্প নেই।
Antioxidants ও Nutrients
|
Antioxidants ও Nutrients
পাতিলেবু- ফ্যাট কমানোর অকল্পনীয় একটা উপাদান এর মধ্যে থাকা Antioxidants ও Nutrients ফ্যাট কামাতে সাহায্য করে। আপনাকে যা করতে হবে সেটি হল- একটি পাতিলেবু ২৫০ml উষ্ণ জলে মিশিয়ে জুস তৈরি করে খেতে পারেন দারুন কাজ দেবে ফ্যাট কামানর ক্ষেত্রে যদিও এর স্বাদ একটু খারাফ কিন্তু আপনি তো ফ্যাট থাকার চাইতে একটু খারাফ টেস্ট তবু ভালো, তাই না!
ফাইবার ( Fiber)
ফাইবার ( Fiber)- ফাইবার জাতীও খাবার খেতে পারেন যা আপনার ফ্যাট কমাবে এবং শরীর চনমনে ও তরতাজা রাখতে সাহায্য করবে। ফাইবার জাতীও খাবার।
যেমন-
১/ ওটস (Ots Meal) - ওটস বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। রোজ সকালে এটি এক গ্লাস দুধের দু-কাফ ওটস ৫ মিনিট সিদ্ধ করে খেতে পারেন, দারুন কাজ দেবে ফ্যাট কমানোর জন্য।
২/ ওটস এর সাথে সাথে আপনি অ্যাপেল, কমলালেবু বা অন্য ফলের মধ্যে প্রচুর ফিবার আছে যা আপনার শরীর তরতাজা ও ফ্যাট কামাতে সাহায্য করবে।
৩/ শাকসবজির পরিমাণ একটু বেশী করে খান দেখবেন আপনার শরীরের ফ্যাট তো কমবে সঙ্গে সঙ্গে অনেক রোগ দূর হয়ে যাবে।
শাররিক ব্যায়াম ও কিছু ভালো অভ্যাসঃ
আমাদের কিছু শাররিক ব্যায়াম ও কিছু ভালো অভ্যাসের দ্বারা আমারা আমাদের শাররিক ফ্যাট ও সুস্বাস্থ্যের আধিকারি হতে পারি। যেমন-
১/ রাত্রে হালকা খাবার পর তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যেতে হবে এবং ভোরের বেলায় উঠতে হবে। খেয়াল রাখবেন রাত্রের ঘুম যেন অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা হয় তানাহে শরীর দুর্বল হবে এবং এনার্জি পাবেন না।
শাররীক ব্যায়ামঃ
প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগে আন্ততঃ ১৫ মিনিট দৌড়ান বা হাঁটুন।তারপর সীট আপ-ডাউন প্রথমে ১০ বার তারপর দিন ১৫ বার, তারপর দিন ২০ বার এই ভাবে যতটা সম্ভাব বাড়াতে পারতে অবশ্য আপনার শরীরের মেদ কমবে।
এছাড়া আপনার হাতে যদি সময় থাকে তাহলে আরও আনেক ব্যায়াম আছে যেগুলি দ্বারা আপনার শরীরের মেদ কমাতে পারেন। তার জন্য এখানে <<Click>> করুন।
0 মন্তব্যসমূহ