Noon Meal বা দুপুরের খাবার | Noon Meal বা দুপুরের খাবার কে কি বলা হয়?

Noon Meal বা দুপুরের খাবার কে কি বলা হয়? 

Noon Meal বা দুপুরের খাবারকে ইংরেজিতে Lunch এবং বাংলায় মধ্যাহ্নভোজ বলা হয়। এটি দিনের দ্বিতীয় ভারী খাবার হিসাবে সাধারণত ধরা হয়, যা প্রাতরাশের পর গ্রহণ করা হয়।

Noon Meal বা দুপুরের খাবার | Noon Meal বা দুপুরের খাবার কে কি বলা হয়?


মানব জীবনের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য দুপুরের খাবারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দুপুরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাদ্যাভ্যাস করতে হবে।

দুপুরে খুব বেশি না খেয়ে পরিমিত মাছ, ভাত, সবজি বা মাংস খেতে হবে। অনেকেই সকালে না খেয়ে দুপুরে একবারে বেশি পরিমাণ খাবার খান, যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

দুপুরের খাবারে আমাদের কি কি খাওয়া উচিৎ?

দুপুরে খুব বেশি না খেয়ে পরিমিত মাছ, ভাত, সবজি ও মাংস খেতে হবে। শরীর ও মস্তিষ্ক কর্মকাণ্ড ঠিক রাখতে দুপুরের খাবারে কার্বোহাইড্রেট অল্প করে হলেও খেতে হবে। আমরা ভাবি কার্বোহাইড্রেট খাবার বাদ দিলে ভালো কিন্তু সেটা ঠিক নয়! কার্বোহাইড্রেট খাবার বাদ দিলে মাথা ঝিমঝিম আর শরীরে ম্যাজম্যাজে-ভাব আসতে পারে। এক্ষেত্রে ১/৪ ভাগ শর্করা, ১/৪ ভাগ কার্বোহাইড্রেট এবং ১/২ ভাগ শাকসবজি খেতে পারেন।

Noon Meal বা দুপুরের খাবার | Noon Meal বা দুপুরের খাবার কে কি বলা হয়?

more know about Health tips

দুপুরের খাবারে পর জল পান করার নিয়ম কি?

আমরা অনেকে আছি যারা খাবার খেতে খেতে প্রচুর পরিমানে জল খেয়ে থাকি। একগাল খাবার এক ঘুট জল! বা খাবারের মাঝে মাঝে কয়েকবার জল খাওয়া আর খাবার শেষ করে পেটের খালি অংশ জল খেয়ে পেট ভরে ফেলা আমাদের জেন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। এই অভ্যাস আদৌ ঠিক নয়। দুপুরের খাবার বা লাঞ্চের অন্তত ২০ মিনিট পর জল পান করা উচিত। জল শরীর তাজা রাখে। তবে লাঞ্চের পর পর অনেকটা পানি পান করলে তার প্রভাব পড়ে হজমের উপর। খাদ্যে থাকা বিভিন্ন উপকারি উপাদান গুলি বিভাজন হওয়ার আগে তা শেষ হয়ে যায়, ফলে পেটের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। যার মধ্যে আলসারও হতে পারে।

Noon Meal বা দুপুরের খাবার | Noon Meal বা দুপুরের খাবার কে কি বলা হয়?


দুপুরের খাবার আমাদের কি ভাবে খাওয়া উচিৎ?

সাধারণত আমারা সকালে চা, বিস্কুট বা পরটা ইত্যাদি মানে হাল্কা খাবার, দুপুরে আরও একটু ভারি খাবার এবং রাতে আরও একটু ভারি খাবার। তাই না? কিন্তু এটা একেবারে খাদ্য তালিকার উল্টো।
অথেচ,পুষ্টিবিদের মতে- প্রকৃত পক্ষে আমাদের সকালে বেশ ভারি খাবার খাওয়া প্রয়োজন, দুপুরে তার তুলনায় কম এবং রাত্রে দুপুরের তুলনায় আরও কম। এই ভাবে খওয়া দাওয়া করলে আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

দুপুরের খাদ্য তালিকা-

আমাদের দুপুরে কেমন খাবার খাওয়া দরকার সে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করা যাক-

চাই পর্যাপ্ত আঁশ

দুপুরের খাবারে কমপক্ষে ৮ গ্রাম আঁশ থাকা দরকার। এতে দৈনিক আঁশ গ্রহণের পরিমাণ বাড়বে।

দরকার আমিষ

মধ্যাহ্নভোজে আমিষ বাদ দেওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে দিন শেষে দুপুরের আমিষ শরীরে যোগাবে সারাদিনের পুষ্টি।


Noon Meal বা দুপুরের খাবার | Noon Meal বা দুপুরের খাবার কে কি বলা হয়?

more know about Health tips

সঠিক চর্বি দরকার-

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাই স্বাস্থ্যকর চর্বি। আর তা থাকতে হবে দুপুরের খাবারে। এজন্য বেছে নিতে পারেন বাদাম, বীজজাতীয় খাবার।

ক্ষুধা পর্যন্ত অপেক্ষা করা-

দুপুরে ক্ষুধাকে পূর্ণতা পেতে দিতে হবে। কম খিদে নিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুপুরের খাবারের একটি সময় স্থির থাকা ভালো এবং সেই নির্দিষ্ট সময়েই খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

দুপুরে হোটেলে বা রেস্তোরাঁয় না খাওয়া-

দুপুরের খাবারটা রেস্তোরাঁয় সেরে নিতে চায় বেশিরভাগ মানুষ। রেস্তোরাঁ থেকে যতই স্বাস্থ্যকর সালাদ, স্যুপ অর্ডার করা হোক না কেনো ভুলে গেলে চলবে না, এতে আছে প্রচুর ক্যালরি। তাই বাসা থেকে নিজের জন্য খাবার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ভালো।

খাবার ধিরস্বাস্থিতে ভাবে খান-

প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়ে খেতে বসে গোগ্রাসে গিলতে শুরু করলেন, এটি ভালো অভ্যাস নয়। এমন করলে পেট যে ভরেছে তা অনুভব করার সময় পায়না মস্তিষ্ক। ফলে আপনি খেতেই থাকেন। শরীরের স্বাভাবিক ক্ষুধাচক্রের ভাসাম্যও নষ্ট করে এই বদভ্যাস।

কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খান-

মস্তিষ্ক কর্মচঞ্চল এবং শরীরে কর্মোদ্যোম ধরে রাখতে দুপুরের খাবারে কার্বোহাইড্রেট খুব জরুরি। কার্বোহাইড্রেট বাদ দিলে মাথা ঝিমঝিম আর শরীরে ম্যাজম্যাজে-ভাব আসতে পারে।

দুপুরের নির্দিষ্ট সময়ে খান-

সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাবারের মাঝখানে ছোট্ট একটা স্ন্যাকস খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। এ সময় একটি ফল, এক গ্লাস দুধ কিংবা কোল্ড কফি খেতে পারেন। এই নাস্তার এক থেকে দুই ঘণ্টা পর খেতে হবে দুপুরের খাবার।

দুপুরের খাবারের নির্দিষ্ট সময়ের পর জল খান-

শরীর তাজা রাখতে পানি পানের বিকল্প নেই। তবে লাঞ্চ শেষ করেই পানি খাওয়া ক্ষতিকর। লাঞ্চের পর অনেকটা পানি খেলে, তার প্রভাব পড়ে হজমের উপর। ফলে পেটের নানা রকম সমস্যা শুরু হয়ে যায়। আলসারও হতে পারে। তাই পানি খাওয়া উচিত খাবার গ্রহণের অন্তত ২০ মিনিট পর।

more know about Health tips

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ