Swasthya Sathi Prakalpa: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে কারা সুবিধা, কিভাবে আবেদন করবেন?

স্বাস্থ্য সাথী কী (What is a Swasthya Sathi)?

Swasthya Sathi Prakalpa -স্বাস্থ্য সাথী হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি স্বাস্থ্য চিকিৎসা প্রকল্প। এই প্রকল্পটি ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ২০১৬ সালে ঘোষণা করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Finance Department।
তারপর স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পটি ৩০ শে ডিসেম্বর ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সাধারনের জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা ও সূচনা করেন। তাঁর মতে এই প্রকল্পটি অতি সাধারন, মধ্যবিত্ত, বা উচ্চবিত্ত এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারে।


Swasthya Sathi : স্বাস্থ্য সাথী আপনার জীবনে স্বাস্থ্য সঙ্গী হক!


Read also


স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের সুবিধা কি? What are the benefits of the Swasthya Sathi scheme?

এই প্রকলের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী সাধারন নাগরিক যারা আবেদন করেছেন তাদের পরিবার পিছু বাৎসরিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ভাতা সুবিধা পাবেন।
স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুমোদিত যে কোনো সরকারী বা বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে চিকিৎসা করাতে পারবেন।

Swasthya Sathi : স্বাস্থ্য সাথী আপনার জীবনে স্বাস্থ্য সঙ্গী


কিভাবে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আবেদন করা যায়? How to apply for Swasthya Sathi scheme?

প্রথম যখন স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের শুরু হয়, তখন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবেদনের ভিত্তিতে সাধারন ভাবে আবেদন করা যেত। তারপর যারা বাকি ছিল তারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আরও একটি যুগান্তকারী প্রকল্প দুয়ারে সরকার - এর মাদ্যমেও আবেদন করা যায়। এই আবেদনের জন্য কোন টাকা খরচ হয় না।

Swasthya Sathi : স্বাস্থ্য সাথী আপনার জীবনে স্বাস্থ্য সঙ্গী হক!

স্বাস্থ্যসাথী আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন



Swasthya Sathi : স্বাস্থ্য সাথী আপনার জীবনে স্বাস্থ্য সঙ্গী হক!

Read also

আপনার আবেদন পত্রের স্ট্যাটাস জানতে ক্লিক করুন


স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য:

আপনার প্রশ্নের সকল উত্তর এখানে-

  1. পরিবার পিছু বাৎসরিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ভাতা সুবিধা পাওয়া যায়।
  2. এক বার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হয়ে গেলে চিকিৎসার জন্য কোন সরকার অফিসে দৌড়ঝাপ করার প্রয়োজন নেই। কারণ এটি সম্পূর্ণ কাগজবিহীন, ক্যাশলেস, স্মার্ট কার্ড ভিত্তিক ভাবে কাজ করে।
  3. স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে পূর্ব থেকে বিদ্যমান সমস্ত রোগ কভার করা হয়।
  4. পরিবারের আকারের উপর কোন ক্যাপ নেই এবং স্বামী / স্ত্রী উভয়ের পিতামাতা অন্তর্ভুক্ত। পরিবারের সকল নির্ভরশীল শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেরও আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
  5. সম্পূর্ণ খরচ রাজ্য সরকার বহন করে এবং সুবিধাভোগীর কাছ থেকে কোন টাকা খরচ করার প্রয়োনজ হয় না।
  6. তালিকাভুক্তির দিন প্রতিটি পরিবারকে অনলাইনে স্বাথ্য সাথী স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হয়। স্মার্ট কার্ড পরিবারের সদস্যদের বিবরণ, ফটোগ্রাফ, বায়োমেট্রিক, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, SECC আইডি ক্যাপচার করে।
  7. স্কিমের ব্যবস্থাপনা প্রথম দিন থেকেই কাগজবিহীন আইটি প্ল্যাটফর্মে হয়ে থাকে।
  8. সুবিধাভোগী পরিবার হসপিটালে বা নার্সিং হোমে ভর্তি হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০০% অনলাইনে প্রাক-অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
  9. যদি কোন কারনে পরিবার কার্ডটি ব্লক হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে সুবিধাভোগীদের মবাইলে SMS এর মাধ্যমে সতর্কতা প্রদান করা হয়।
  10. ডিসচার্জের সময় সুবিধাভোগীদের ই-স্বাস্থ্য রেকর্ড রিয়েল-টাইম আপলোড করা।
  11. সুবিধাভোগীদের সাহায্যের প্রতিক্রিয়া 24X7 টোল ফ্রি কল সেন্টার খোলা আছে , যার নম্বর 18003455384
  12. অনলাইন অভিযোগ জানানোর জন্য এসকেলেশন ম্যাট্রিক্সের সাথে সম্ভাব্য জালিয়াতি সনাক্ত করতে অনলাইন ট্রিগার এবং সতর্কতা প্রদান করা হয়ে থাকে।
  13. সুবিধাভোগীদের সহায়তার জন্য অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক স্বাস্থ্য সাথী মোবাইল অ্যাপ এর সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
যদি আরও কিছু জানতে চান, তাহলে কমেন্ট  এ জানান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ